ব্রেকিং নিউজ
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জার্নালিস্ট ভয়েস অব বাংলাদেশ (জাভবা) ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে নিরপেক্ষ তদন্তে জাতিসংঘকে প্রস্তাব দেবে অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন অপরাধী এপস্টেইনের গোপন ফাইলে শেখ হাসিনার নাম, যা জানা গেল নান্দাইলে ধর্মের আড়ালে ভণ্ডামি: মিল্লাত রাব্বির সাম্রাজ্য, নারী ভক্ত, অবৈধ অর্থ ও রহস্যজনক মৃত্যুর কালবেলার সাংবাদিকের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ফাঁসানো হয় জুলাই কন্যা সুরভীকে সাঁথিয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতের পোশাক বিতরণ করে প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও রিজু তামান্না
×

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : ৭/১১/২০২৪, ৯:২৭:৪১ AM

ছাত্রলীগের পক্ষে কলাম লেখায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে বহিষ্কার

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিপক্ষে সক্রিয় অবস্থান এবং সম্প্রতি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের পক্ষে কলাম লেখাসহ নানা অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।সাময়িক বহিষ্কার শিক্ষকের নাম মো. আবু সালেহ সেকেন্দার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিপক্ষে সক্রিয় অবস্থান এবং সম্প্রতি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের পক্ষে কলাম লেখাসহ নানা অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সাময়িক বহিষ্কার শিক্ষকের নাম মো. আবু সালেহ সেকেন্দার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।

বুধবার (৬ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. শেখ মো. গিয়াস উদ্দিনের সই করা অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।আদেশে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ায় এবং সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভাগীয় অ্যাকাডেমিক কমিটির আনীত অসদাচরণ ও নৈতিক স্খলণের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরকারি কর্মচারি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ১২ ধারার আলোকে এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৫-এর ধারা ১১(১০) মোতাবেক সিন্ডিকেটে রিপোর্ট সাপেক্ষে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আবু সালেহ সেকেন্দারকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।

জানা যায়, আবু সালেহ সেকেন্দার জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরোধিতা করে আসছেন। ‘ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক ভুল সিদ্ধান্ত’ আখ্যায়িত করে অন্তর্বর্তী সরকারকে চ্যালেঞ্জ ও আওয়ামী লীগ সরকারকে পুনর্বহালে অপচেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ তোলেন শিক্ষার্থীরা। তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে তারা আন্দোলনেও নামেন।

শুধু তাই নয়, দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র অধ্যাপকসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে আক্রমণাত্মক স্ট্যাটাসসহ নানা মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে আবু সালেহ সেকেন্দারের বিরুদ্ধে। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ আসায় বিভাগের অ্যাকাডেমিক সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাকে ক্লাস পরীক্ষা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।