সদর হাসপাতালের গাইনি বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. লিপিকা দাস জিবনে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন রুগী দেখছেন। -news10tv.com

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ ) : গোবিন্দ দেব ।

0 ১৪৯

 

সদর হাসপাতালের গাইনি বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. লিপিকা দাস জিবনে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন রুগী দেখছেন। ওই হাসপাতালের গাইনি বিভাগে কোনো রোগী ভর্তি হলে তাদেরকে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করে ন। ডাক্তার, নার্সসহ গাইনি বিভাগ সংশ্লিষ্টরা। গতকাল সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখি এমন দৃশ্য যা দেখে ভালো লাগলো। ডাক্তার লিপিকা সাথে আলাপকালে জানা যায় তথ্যগুলো ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে। তারপর করোনাকালীন লক ডাউনে রোগী কম ভর্ত্তি হলেও জরুরি প্রসূতি সেবা কার্যক্রম নিয়মিত ছিল এবং নিয়মিত সিজার হয়েছে, যেখানে অন্যকোন সার্জারি হয়নি। চলতি জুলাই মাসে ৩৬টি সিজার হয়েছে। ওসমানী মেডিকেল এর মতো বড় হাসপাতালে যেখানে সীমিত আকারে রোগী ভর্ত্তি ও জরুরি অপারেশন হচ্ছে সেখানে একার পক্ষে এর চেয়ে বেশি আর কি করা সম্ভব? এখানে ১৭ বেডের লেবার ওয়ার্ডে রোগী থাকে গড়ে ২৫-৩০ জন।

আমার মনে হয় এই কথাগুলো দেওয়া যেতে পারে। জানা গেছে, ডাক্তার লিপিকা দাস দুই বছর ধরে সদর হাসপাতালে সুনামের সহিত চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছেন।এই হাসপাতালে তার কাজের সুনাম ও রয়েছে। হতদরিদ্র পরিবারের লোকজন চিকিৎসা নিতে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে রোগীরা ভর্তি হলে ডাক্তার লিপিকা দাস এর চিকিৎসা সেবায় মুগ্ধ থাকেন হতদরিদ্র লোকজন। ভর্তি হলেও ডাক্তার ও নার্স তাদের কে পর্যবেক্ষণ করেন। গেছে, ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে এই হাসপাতালে জুনিয়র কনসালটেন্ট হিসেবে যোগ দেন ডা. লিপিকা দাস খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত মে মাসে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে কর্মস্থল ত্যাগ করে কখনো নিজ সন্তানদের দেখতে যেতে পারেন নি। করোনা মহামারী কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন ডাক্তার লিপিকা। ডা. লিপিকা দাসের সাথে কথা বলে জানা যায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রতিদিন রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি। এমনকি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লোকদেরকে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। নিজের বাচ্চা দেখাও দেখার সুযোগ করতে পারিনি। সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. শামসুদ্দিন বলেন, সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ডাক্তার নার্স সবাই একসাথে কাজ করছেন। আমাদের সবাই সুনামের সহিত কাজ করে যাচ্ছে  ।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.