এইসএসসি পরিক্ষার্থীর করোণাকালীন সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসার আহ্বান ।। news10tv.com

লেখক -নাসিমা আক্তার উর্মি

0 ২৭৭

 

এইসএসসি পরিক্ষার্থীর করোণাকালীন সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসার আহ্বান : আগামি ২৫/০৮/২০২০ ইং তারিখে স্কুল কলেজ খুলে দেয়ার যে প্রস্তাব আসার কথা সেটা কতটা সাস্থ্যসম্মত? করোণা মহামারীরতে ছাত্রছাত্রীদের সাস্থ্য ঝুকিতে। এবছর এইসএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করা শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়ই ঝুঁকিপূর্ন। বিভিন্ন শুত্রে জানা যাচ্ছে,আগামি ২৫ আগষ্ট ২০২০ইং তারিখে স্কুল কলেজ খুলে দেয়ার প্রস্তুতুতি নেয়া হতে পাড়ে, সেই সাথে এইচএসসি পরিক্ষার প্রস্তুতির বিষয়টিও গুরুত্ববহন করে।এই ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কারনে ছাত্র ও শিক্ষক উভয়েরই সাস্থ্য ঝুকির বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে।উন্নত দেশ গুলোতে বেশীর ভাগ পরিবারই একক পরিবার ভিত্তিক।সাধারনত বাংলাদের যৌথ পরিবার ভিত্তিক।যৌত পরিবারে লোকজন একসাথে বেশী লোক বসবাস করার কারনে, একজন করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির দ্বারা দ্রুত পরিবাবের অন্য সকলে আক্রান্ত হতে পারে সহজেই।কেন রকম বাধা থাকবে না সংক্রমিত হতে।সে দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করলে আমরা লক্ষ করতে পাড়ি যে,পরিক্ষা কেন্দ্রে যতই সামাজিক দূরুত্ব ও সাস্থ্য বিধি মেনে পরিক্ষার হলে পরিক্ষা নেওয়া হোক না কেন, সেখানে ছাত্র শিক্ষক উভয়ই ঝুঁকিপূর্ন। এছাড়াও লকডাউনে অনেক ছাত্র ছাত্রী আছে যারা গ্রাম থেকে শহরে এসে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিল তারা সকলেই গ্রামে তাদের নিজ বাড়ীতে চলে গেছে।এসময় এইসএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করা প্রায় অসম্ভব। কারন তাদের থাকা খাওয়ার বিষয়টিও মানবেতর। লগডাউনে অনেকে অভিভাবক কর্মহীন হয়ে য়াওয়ায়, অনেকেই গ্রামের বাড়ীতে চলে গেছে।অনেক মানুষ পথে বসে গেছে তারা একমুঠু খাবার জেগাতে হিমসিম খাচ্ছে।মানুষ আর তার আগের অবস্হানে নেই।অভিভাবকের এহেন করুন অবস্থায় শিক্ষার্থীরা মানুষিক ভাবে ভে্ঙ্গে পরে হতাশা গ্রস্থ হয়ে পরেছে সামাজিক ও মানুষিক ভাবে।প্রায় ২ লক্ষ শিক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহন করার কথা,কিন্তু আদৌ কি এই মহামারিতে পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করে মান সম্মত পরীক্ষা দেয়ার পর আদৌকি ভাল ফলাফল করা সম্ভব হবে??? যথাযথ সাস্থ্যবিধি মেনে পরিক্ষায় অংশগ্রহন করার পরও আক্রান্ত দু একজনের হাঁচি ও কাঁশির মাধ্যমে অন্যরাও ঝুকিতে পড়বে ।সেখানে ছাত্র শিক্ষক উভয় ঝুঁকি বহণ করবে।এ কারনে অনেক অভিভাবক এ মহামারিতে তাদের সন্তানের জীবনের ভয়াবহ বিপদের আশংকা করছে।তাদের মতে পরিক্ষা না নিয়ে করোণাকালীন এ মহা দূর্যোগের সময় উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড শিক্ষার্থীদের পূর্বে এসএসসি এর ফলাফলের ওপর গড় করে একর্টি আশানুরূপ ফলাফল দিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করলে শিক্ষার্থী, শিক্ষকগন ও অভিভাবকগন সকলেই উপকৃত হবে।মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রনালয়কে বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।এ বিষয়ে আমি অনেক অভিভাবকের সাথে কথা বলে তাদের মতামত জেনে তাদের পক্ষ হতে প্রস্তাবটি পেশ করছি।

লেখক মানবতাবাদী : নাসিমা আক্তার উর্মি  ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.